বরিশালে স্পিডবোটের সাথে ট্রলারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নেশপতি বেগম নামে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) অর্থপেডিক্স বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. গোলাম সরোয়ার হোসেনের স্ত্রী নিহত হয়েছেন। ঘটনায় চিকিৎসকের মেয়ে শাহেরি আক্তার (১৩) নিখোঁজ হয়েছে।আজ শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ৮টার দিকে কীর্তনখোলা নদীর সাহেবেরহাট চ্যানেলের কড়ইতলা খাল পয়েন্টে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে। নিখোঁজ সাহেরীর সন্ধানে খালের ওই পয়েন্টে তল্লাশী চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরীরা।
নাশপতি বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল শেরে-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেকাচিম) হাসপাতালের সাবেক পরিচালক ও স্বাচিপ জেলা কমিটির সভাপতি ডা. কামরুল হাসান সেলিম।
ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও পাঁচ যাত্রী। এদের মধ্যে ঢামেক অধ্যাপক ডা. গোলাম সরোয়ার ও শেবাচিম হাসপাতালের চর্ম বিভাগের চিকিৎসক ডা. প্রদীপ কুমার বনিক রয়েছেন। এরমধ্যে গুরুতর আহত ডা. প্রদীপকে নগরীর বেসরকারী আরিফ মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানার ওসি এসএম মাহাবুব আলম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ভোলা থেকে স্পীডবোটযোগে ডা. সরোয়ার তার পরিবার-পরিজন নিয়ে বরিশাল নদী বন্দরে আসছিল। পথিমধ্যে সাহেবেরহাটের কড়াইতলা খালের বারেক মেম্বরের বাড়ি এলাকা অতিক্রমকালে থেমে থাকা একটি ট্রলারের সাথে স্পীডবোটের মুখোমুখে সংঘর্ষ হয়। এতে স্পীডবোটটি উল্টে যাত্রীরা ছিটকে পড়ে।
এদের মধ্যে ডা. সরোয়ার, তার ভাগ্নে খোকন ও শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম বিভাগের চিকিৎসক ডা. প্রদীপ কুমার বনিক সাতরে তীরে উঠতে সক্ষম হয়। দুর্ঘটনার কিছুক্ষন পর খাল থেকে ডা. সরোয়ারের স্ত্রী নাশপতি বেগমের (৪২) নিথর দেহ তুলে আনে স্থানীয়রা।
বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন ম্যানেজার মো. আলাউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দুর্ঘটনা পয়েন্টে খালে নিখোঁজ সাহেরীর সন্ধানে তল্লাশী শুরু করে। তবে রাত ১০টা পর্যন্ত তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি।
0 comments:
Post a Comment