যেভাবে ত্বক সুস্থ থাকবে

ত্বক কেমন থাকবে, তা নির্ভর করে জীবনযাপনের ওপর। পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা—এসবই আপনার ত্বক সুস্থ রাখে। এগুলো মেনে চললে ত্বকের উজ্জ্বলতাও বাড়ে। খাবার তালিকায় প্রচুর পরিমাণে ফলমূল ও আঁশযুক্ত খাবার থাকতে হবে। গরমে রসালো ফলও পানির অভাব অনেকটাই পূরণ করে। দিনে ছয় থেকে আট গ্লাস পানি পান করতে হবে। সাধারণ চা বা কফির বদলে গ্রিন টি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম দরকার। বাড়িতেই ফ্রি হ্যান্ড ব্যায়াম করলে শরীর সুস্থ থাকবে। রক্ত চলাচল ভালো হবে। এর জন্য ব্যায়ামাগারে যেতে হবে এমন কোনো কথা নেই। বাসায় বসেই আপনি সেরে ফেলতে পারেন ব্যায়াম। ত্বক ভালো রাখতে হলে এসবের কোনো বিকল্প নেই।

তবে ত্বকের যত্নও নিতে হবে নিয়মিত। বিউটি পারলারে গিয়ে সব সময় রূপচর্চা করতে না পারলেও বাড়িতে বসে তা করতে পারেন। মাসে একবার ফেসিয়াল বা স্পা করাতে পারলে ভালো। রূপবিশেষজ্ঞ আফরোজা পারভীন মনে করেন, ত্বক পরিষ্কার, টোনিং ও ময়েশ্চারাইজিং অবশ্যই প্রতিদিন করতে হবে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর দেখা যায় মুখে প্রাকৃতিক তেল নিঃসৃত হয়েছে। সেই তেল আঙুল দিয়ে মুখে মিশিয়ে দিতে হবে। এরপর বাইরে যাওয়ার আগে মুখ পরিষ্কার করতে হবে মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে। রোদে বের হলে সানস্ক্রিন লোশন বা ক্রিম ব্যবহার করুন। দুই-তিন ঘণ্টা পর মুখ ধুয়ে আবার ক্রিম ব্যবহার করতে হবে। তাই ব্যাগে ছোট সানস্ক্রিন লোশন, ফেসওয়াশ রাখতে পারেন। ত্বকের যত্নে বেশ কিছু ফেসপ্যাকও নিয়মিত ব্যবহার করা যায়।
ত্বক কেমন থাকবে, তা নির্ভর করে জীবনযাপনের ওপর। ছবি: কবির হোসেনশুষ্ক ত্বকের জন্য: অর্ধেক পাকা কলা, ২ চামচ মধু ও ১ চামচ চন্দনগুঁড়া মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। মুখে ও গলায় লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট অপেক্ষা করে হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এই প্যাকটি সপ্তাহে অন্তত এক দিন ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে। বিশেষ করে ভারী কোনো মেকআপ ব্যবহারের পরে এই ফেসপ্যাক বেশ কার্যকর।
স্বাভাবিক ত্বকের জন্য: ১৫ থেকে ১৬টি কাঠবাদাম এক গ্লাস দুধের মধ্যে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কাঠবাদাম সরিয়ে দুধ খেয়ে ফেলতে পারেন। কাঠবাদামগুলো ভালোভাবে পেস্ট করে মুখে ব্যবহার করলে প্রাকৃতিক ময়েশ্চারাইজারের কাজ করবে। ত্বকও পরিষ্কার হবে।
তৈলাক্ত ত্বকের জন্য: কমলার রস, লেবুর রসের সঙ্গে শসার রস মিশিয়ে ব্রাশ দিয়ে মুখে লাগাতে হবে। সপ্তাহে দুই থেকে তিন দিন এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে ব্রণ, পোরসের সমস্যা কমে যাবে।
এ ছাড়া অ্যালোভেরার জেল সব ধরনের ত্বকের জন্য উপকারী। ত্বক পরিষ্কার করার পাশাপাশি রোদে পোড়া ভাব দূর করে।
Share on Google Plus

About WARAJ

    Blogger Comment
    Facebook Comment

0 comments:

Post a Comment